VTVUS

NEWS24/7

TRUMP USA

মোহাম্মদ শামীম, বিশেষ প্রতিনিধি
ভিটিভি ইউএস

বিশ্বের ২০ শতাংশ তেল রফতানির পথ- ভৌগোলিকভাবে সংকীর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি খুলে দেয়ার বিষয়টি
‘সহজ সামরিক কৌশল’ হিসেবে অভিহিত করা হলেও,
বর্তমানে কেবল ইরানের অনুমোদিত জাহাজগুলোই ওই নৌপথ দিয়ে যাতায়াত করছে।
ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন-ইসরায়েলি যুদ্ধ শুরু হওয়ার তিন সপ্তাহ পর, সংঘাতটি এখন এক অস্পষ্ট ও অনিশ্চিত অবস্থায় পৌঁছেছে। জনসমক্ষে ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্যগুলো মাঝেমধ্যেই যুদ্ধক্ষেত্রের বাস্তব পরিস্থিতির সাথে সাংঘর্ষিক বলে মনে করছেন অনেকে।

ট্রাম্প বলেছেন, এই যুদ্ধ ‘প্রায় শেষ হয়ে এসেছে’, অথচ অভিযান চালাতে মার্কিন মেরিন ইউনিটের মতো স্থল বাহিনী এই অঞ্চলে প্রবেশ করছে।

তিনি বলছেন পরিস্থিতি “শান্ত হয়ে আসছে,” কিন্তু ইরানজুড়ে মার্কিন ও ইসরায়েলি বোমা এবং ক্ষেপণাস্ত্র হামলা নিরবচ্ছিন্নভাবে চলছে।

বিশ্বের ২০ শতাংশ তেল রপ্তানির পথ- ভৌগোলিকভাবে সংকীর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার বিষয়টি “সহজ সামরিক কৌশল” হিসেবে অভিহিত করা হলেও, বর্তমানে কেবল ইরানের অনুমোদিত জাহাজগুলোই ওই জলপথ দিয়ে যাতায়াত করছে।

ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী, ইরানি সামরিক বাহিনী “শেষ” হয়ে গেলেও, তাদের ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্রগুলো এখনও ওই অঞ্চলের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানছে।
শনিবার সন্ধ্যায় সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে, সংঘাত আরও বাড়ানোর হুমকি দিয়েছেন ট্রাম্প।

তিনি সতর্ক করে বলেছেন, ইরান যদি ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে “কোনো প্রকার হুমকি ছাড়াই” হরমুজ প্রণালী পুরোপুরি খুলে না দেয়, তবে মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোকে লক্ষ্যবস্তু বানাতে শুরু করবে, যা আরম্ভ হবে “সবচেয়ে বড়টি” দিয়ে।
তবে এর আগের দিন নিজের সোশ্যাল মিডিয়া ওয়েবসাইটে ইরান যুদ্ধে মার্কিন সামরিক লক্ষ্যগুলোর একটি তালিকা প্রকাশ করেছিলেন ট্রাম্প।

যেখানে লক্ষ্যগুলো পূরণে যুক্তরাষ্ট্র “খুবই কাছাকাছি” পৌঁছে গেছে বলেও দাবি করেছিলেন তিনি।

যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এই বিষয়ে তার দেওয়া সবচেয়ে বিস্তারিত এই বিবৃতিতে অন্তর্ভুক্ত বিষয়গুলোর মধ্যে ছিল- ইরানের সামরিক বাহিনী, তাদের প্রতিরক্ষা অবকাঠামো এবং পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচি ধ্বংস বা অকেজো করে দেওয়া, সেইসঙ্গে ওই অঞ্চলে মার্কিন মিত্রদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা।

তবে হরমুজ প্রণালি সুরক্ষিত করার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত ছিল না এই তালিকায়। ট্রাম্পের মতে, এর দায়িত্ব অন্য দেশগুলোর হওয়া উচিত, যারা পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের তেল রপ্তানির ওপর বেশি নির্ভরশীল।

Tagged:

Comments are closed